মানসিক ভারসাম্যহীন খায়রুলকে পরিবারে ফিরিয়ে দিলেন ওসি
-
-
|

ছবি: বার্তা২৪.কম
খায়রুল ইসলাম। বয়স ৪৫ বছর। ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার কন্যামন্ডল গ্রামের মৃত আসমত আলীর ছেলে তিনি। ছয় ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনিই সবার ছোট।
ছোটবেলা থেকেই খায়রুল ইসলাম কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন। নিজ বাড়িতেই থাকতেন। এলাকায় ঘোরাফেরা করলেও সন্ধ্যায় ঠিকই বাড়ি ফিরতেন। কিন্তু পাঁচ বছর আগে হঠাৎ একদিন এলাকা থেকে নিখোঁজ হন খায়রুল। তারপর পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। এক পর্যায়ে তাকে পাওয়ার আশা অনেকটা ছেড়ে দেন।

রোববার (২২ ডিসেম্বর) সকালে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার চেংজানা গ্রামের তারা মিয়ার বাড়িতে মানসিক ভারসাম্যহীন খায়রুল ইসলামের সন্ধান পান কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান।
তারপর ওসির নির্দেশে দুপুরে কেন্দুয়া থানার পুলিশ আবু ছালেক মানসিক ভারসাম্যহীন খায়রুলকে থানায় নিয়ে আসেন। পরে খায়রুলকে তার বাড়িতে ফিরিয়ে দিতে খবর দেওয়া হয় তার পরিবারের সদস্যদের।
দীর্ঘদিন পর নিখোঁজ খায়রুলের সন্ধান পেয়ে বিকেলে কেন্দুয়া থানায় গফরগাঁও থেকে ছুটে আসেন তার ভাতিজা রাসেল আকন্দ। পরে সন্ধ্যায় ওসি রাশেদুজ্জামান মানসিক ভারসাম্যহীন খায়রুল ইসলামকে রাসেলের হাতে তুলে দেন।
এ সময় কেন্দুয়া থানার ওসিসহ পুলিশ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রাসেল আকন্দ বলেন, খায়রুল চাচা ছোটবেলা থেকেই কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন। তবে গ্রামেই থাকতেন। এলাকায় ঘোরাফেরা করতেন। কিন্তু গত ৫ বছর আগে তিনি হঠাৎ একদিন নিখোঁজ হন। তারপর তাকে আর খুঁজে পাচ্ছিলাম না।
এ বিষয়ে কথা হলে ওসি মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান বলেন, দীর্ঘদিন যাবত পরিবার ছাড়া একজন মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষকে খুঁজে বের করে পরিবারে ফিরিয়ে দিতে পেরে খুবই ভালো লাগছে।