কুমিল্লায় বসন্ত বরণ ও তারুণ্যের পিঠা উৎসব
-
-
|

ছবি: বার্তা ২৪
চলছে বাহারি রকমের পিঠার সমাহার। বিভিন্ন ধরনের পিঠার সাথে পরিচয় হতে কেউ এসেছেন তার ছোট্ট শিশুকে নিয়ে আবার কেউ এসেছেন প্রিয়জনের সাথে।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজ ক্যাম্পাসে শুরু হয় বসন্ত বরণ ও তারুণ্যের পিঠা উৎসব। নতুন ও পুরাতন শিক্ষার্থী, অভিভাবকদের মিলন মেলায় পরিণত হয়েছিল পুরো মেলা প্রাঙ্গণ।
আনন্দ ঘন পরিবেশে কলেজ মাঠে ১২টি স্টলে অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন রকমের পিঠা প্রদর্শন করা হয়।
উল্লেখযোগ্য পিঠার মধ্যে ছিল নারিকেল পুলি, ঝালপুলি, রোল পুলি, পাটি সাপটা, দুধ চিতই, গোলাপ পিঠা, ঝাল বড়া, ত্রীবেনী, গুড়ের নাড়ু, মধুরাস্বাদ, রস পাকন, রংবাহারি রকমের পিঠা।
বসন্তের বন্দনায় কাশফুল অঙ্গনের সদস্যরা সংগীত, কবিতা আবৃতি ও নৃত্য পরিবেশন করেন। একদিনে এই পিঠা উৎসবে কলেজের বিভিন্ন বিভাগের ১২টি স্টল অংশগ্রহণ করে।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, নিখুঁত হাতে ছোঁয়া একেকটি পিঠা নজর কাড়ে যে কারোর। গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া বাহারি রকমের পিঠা দেখতে স্টলে স্টলে ছিলো দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। একই সাথে এতো সব পিঠার স্বাদে মুগ্ধে আমরা।
বিক্রেতারা বলছেন, আমাদের কলেজে প্রতি বছর এ বসন্ত বরণ ও তারুণ্যের পিঠা উৎসব হয়। আমরা এ বছর বিভিন্ন ধরনের পিঠা দিয়ে এখানে স্টল দিয়েছি।
এ বিষয়ে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড মডেল কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল হোসেন বলেন, আমাদের গ্রাম বাংলার পিঠা উৎসব। মা-চাচীর হাতে বানানো পিঠা থেকে আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি। তাই গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে এ আয়োজন।