ঝিনাইদহে পুলিশের এএসআই'র বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ
-
-
|

ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বংকিরা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (এএসআই) বায়েজিদ হোসেনের বিরুদ্ধে এক বাদীকে মামলা তুলে নিতে হুমকি ও হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার জীবনা গ্রামের আনিচুর রহমান লাল্টু।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রামের নজরুল ইসলামের সঙ্গে টাকা নিয়ে একটি মামলা চলে আসছিল। যা বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা আদালতে বিচারাধীন। এরই জের ধরে গত ৭ অক্টোবর দুপুরে বংকিরা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এএসআই বায়েজিদ কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে মামলার বাদী আনিচুর রহমান লাল্টুর বাড়িতে যায়।
এসময় বায়েজিদ তার মোবাইল দিয়ে কোটচাঁদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতিকুল ইসলামের পরিচয় দিয়ে মোবাইল নম্বরে কথা বলে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতিকুল ইসলামের পরিচয় দেওয়া ফোনের অপর প্রান্তের ব্যক্তি লাল্টুকে মামলা তুলে নিতে হুমকি-ধামকি দেয়। মামলা তুলে না নিলে মাদকসহ একাধিক মামলা দিয়ে হয়রানি করার হুমকি দেয়। সেই সঙ্গে মাদক দিয়ে ক্রসফায়ারের ভয়ভীতি দেখায়। পরের দিন দুপুরে ঝিনাইদহ সদর থানার সামনে অবস্থান করা কালে লাল্টুর মোবাইল ফোনে আবারও ওই নম্বর থেকে পুনরায় হুমকি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন।
কোটচাঁদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতিকুল ইসলামের সঙ্গে মোবাইলে কথা হলে তিনি বলেন, আমার এমন কোন নাম্বার নেই। ভুয়া পুলিশ কর্মকর্তা দিয়ে এই কাজটি করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত এএসআই বায়েজিদ হোসেন বলেন, আমি একটি ট্রাপে পড়েছিলাম। আমার মোবাইলে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি ফোন করে কোটচাঁদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতিকুল ইসলাম স্যারের পরিচয় দিয়ে লাল্টুর সঙ্গে কথা বলতে চান। তাই আমি আমার ফোন দিয়ে তার সঙ্গে কথা বলে দিয়েছি। তাদের মাঝে কি কথা হয়েছে তাও আমি জানি না।