চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে যাওয়ার আগে বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বলে গিয়েছিলেন চ্যাম্পিয়ন হতে যাচ্ছেন। শান্ত’র স্বপ্ন পূরণ হলে বাংলাদেশ পেত প্রায় ৩০ কোটি টাকা। তবে তা আর হয়নি। চ্যাম্পিয়ন হওয়া দূরে থাক বাংলাদেশ দল কোনো ম্যাচই জিততে পারেনি।
আজ পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ বৃষ্টির কারণ পরিত্যক্ত হওয়ায় বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির এবারের আসরের পথচলা শেষ হয়েছে। এ ম্যাচটি ছিল কেবলই নিয়মরক্ষার। তবে বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হওয়ায় এক পয়েন্ট করে ভাগাভাগি করে নিয়েছে দুই দল। আর তাতেই নিজেদের গ্রুপ থেকে তৃতীয় হয়ে আসর শেষ করেছে টাইগাররা। স্বাগতিক পাকিস্তান সমান পয়েন্ট নিয়ে আছে তালিকার চারে।
যাত্রা শেষ হওয়ার পর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে বাংলাদেশ কত টাকা পেল সে আলোচনা সামনে এসেছে। গত আসরে সেমিফাইনাল খেলা টাইগাররা এবার কোনো ম্যাচই জিততে পারেনি। তবুও পাচ্ছে ৩-৫ কোটি টাকার মতো!
অংশগ্রহণের জন্যই প্রতিটি দল পাবে প্রায় দেড় কোটি টাকা। সে হিসেবে কোনো জয় না পেলেও বাংলাদেশ দেড় কোটি টাকা পাচ্ছে। এছাড়া টুর্নামেন্ট শেষে অবস্থানের ভিত্তিতেও পুরস্কৃত করা হবে দলগুলো। সে হিসেবে বাংলাদেশ দল ষষ্ঠ অথবা সপ্তম অবস্থানে থাকবে। ইংল্যান্ড যদি তাদের পরবর্তী ম্যাচ হারে তবে বাংলাদেশ আসর শেষ করবে ষষ্ঠ অবস্থানে থেকে। আর ইংল্যান্ড জিতলে বাংলাদেশের অবস্থান হবে সপ্তম।
বাংলাদেশ সপ্তম স্থানে থাকলে প্রাইজমানি হিসেবে পাবে প্রায় ১ কোটি ৬৯ লাখ ১৫ হাজার টাকা। আর ষষ্ঠ স্থানে থাকলে পাবে দল ৪ কোটি ২২ লাখ ৮৮ হাজার টাকা।
৮ দলের এই বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় ২০১৭ আসরের চেয়ে প্রাইজমানি বাড়ানো হয়েছে ৫৩ শতাংশ। আইসিসি প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে– চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রাইজমানিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়া দলের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে প্রায় ২৭ কোটি ৬ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। রানার্সআপ হওয়া দল প্রাইজমানি হিসেবে পাবে চ্যাম্পিয়ন দলের অর্ধেক টাকা।